Assalamualaiku, welcome to Senni Media blog site. This blog created by Muhammad Delwar Hussain Qadri. In this blog site you can get islamic history, Islamic lecture, PDF book, Debate about Aqeedah,Hamd, Naat, Quran kareem recitation and other social awareness post, audio, Video.
Thursday, August 29, 2019
Friday, August 23, 2019
Friday, June 14, 2019
ভূজপুর থানাধীন নারায়ণহাট উম্মুক্ত পাঠাগার বিষয়ক প্রাথমিক সভা সম্পন্ন
নারায়হাট উম্মুক্ত পাঠাগার বিষয়ক প্রাথমিক সভা সম্পন্নঃ
ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানাধীন নারায়ণ হাট ইউনিয়নে একটি উম্মুক্ত পাঠাগার দীর্ঘদিনের সময়ের দাবী ছিল। গত ১৪ জুন ২০১৯ ইং তারিখে মুহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন সিদ্দিকী ও মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইনের সার্বিক প্রচেষ্টায় নারায়ণহাট কলেজ সংলগ্ন চেয়ারম্যান অফিসে উম্মুক্ত পাঠাগার বিষয়ক প্রাথমিক সভা সম্পন্ন হয়। মুহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় উক্ত সভার সভাপতিত্ব করেন ৩ নং নারায়ণহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব হারুন-অর-রশীদ সাহেব। প্রধান অতিথি ছিলেন দাঁতমারা এবিজেড উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব আহমদ ছাবের সাহেব, প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান জনাব মুহাম্মদ ইব্রাহিম সাহেব।
উম্মুক্ত পাঠাগারের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাই।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ২০০৯ সালে এধরণের একটি পাঠাগার সেসময়কার চেয়ারম্যান ইব্রাহিম সহ আরো কয়েকজনকে নিয়ে তিনি চালু করেছিলেন প্রশাসনিক অনুমতিসহ রুম, ফার্ণিচার, বই, রেজুলেশন ফাইলসহ সব ছিল। তিন বছর পর অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে বন্ধ হয়ে যায়। নতুন করে যারা পাঠাগার করতে চাচ্ছেন তাদেরকে পুরাতন সব হস্তান্তর করার আশ্বাস দিয়েছেন।
প্রধান বক্তা সাবেক চেয়ারম্যান জনাব ইব্রাহিম সাহেব তার বক্তব্যে বলেন- অতীতের করা পাঠাগারটির সবধরনের সহযোগিতা তিনি করেছেন এবং তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ার পর পরবর্তী চেয়ারম্যান উক্ত পাঠাগারের কোন খোঁজ খবর নেয়নি বরং পাঠাগারের আসবাবপত্র গায়েব করে ফেলেন। তিনি আরও বলেন উক্ত পাঠাগারের ফার্ণিচারগুলো করার জন্য তার নামে অবৈধ গাছ কাটার একটা মিথ্যা মামলাও হয়েছিল।
সভাপতির বক্তব্য প্রদানকালে বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব হারুন-অর-রশীদ রুমের ব্যবস্থাসহ পাঠাগার বিষয়ক সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌঃ, মুহাম্মদ মনির হোসাইন, নিয়াজুল নাঈম, পারভেছ উদ্দীন, মুহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম, মুহাম্মদ নাঈম উদ্দীন, শাহাদাত হোসেন, আবু তালেব, ইয়াকুব রেজা, ইয়াছিন উদ্দীন, সাইফুল ইসলাম, মুহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম, মুহাম্মদ আবদুস সামাদ, মুহাম্মদ ওয়াহিদুল আলম, মুহাম্মদ আশিক, মুহাম্মদ অভি, মুহাম্মদ ইউনুছ, মুহাম্মদ জামাল, মুহাম্মদ শাহিন প্রমুখ।
ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর থানাধীন নারায়ণ হাট ইউনিয়নে একটি উম্মুক্ত পাঠাগার দীর্ঘদিনের সময়ের দাবী ছিল। গত ১৪ জুন ২০১৯ ইং তারিখে মুহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন সিদ্দিকী ও মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইনের সার্বিক প্রচেষ্টায় নারায়ণহাট কলেজ সংলগ্ন চেয়ারম্যান অফিসে উম্মুক্ত পাঠাগার বিষয়ক প্রাথমিক সভা সম্পন্ন হয়। মুহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় উক্ত সভার সভাপতিত্ব করেন ৩ নং নারায়ণহাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনাব হারুন-অর-রশীদ সাহেব। প্রধান অতিথি ছিলেন দাঁতমারা এবিজেড উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক জনাব আহমদ ছাবের সাহেব, প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান জনাব মুহাম্মদ ইব্রাহিম সাহেব।
উম্মুক্ত পাঠাগারের লক্ষ্য উদ্দেশ্য ও প্রয়োজনীয়তা নিয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাই।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, ২০০৯ সালে এধরণের একটি পাঠাগার সেসময়কার চেয়ারম্যান ইব্রাহিম সহ আরো কয়েকজনকে নিয়ে তিনি চালু করেছিলেন প্রশাসনিক অনুমতিসহ রুম, ফার্ণিচার, বই, রেজুলেশন ফাইলসহ সব ছিল। তিন বছর পর অনাকাঙ্ক্ষিত কারণে বন্ধ হয়ে যায়। নতুন করে যারা পাঠাগার করতে চাচ্ছেন তাদেরকে পুরাতন সব হস্তান্তর করার আশ্বাস দিয়েছেন।
প্রধান বক্তা সাবেক চেয়ারম্যান জনাব ইব্রাহিম সাহেব তার বক্তব্যে বলেন- অতীতের করা পাঠাগারটির সবধরনের সহযোগিতা তিনি করেছেন এবং তিনি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ার পর পরবর্তী চেয়ারম্যান উক্ত পাঠাগারের কোন খোঁজ খবর নেয়নি বরং পাঠাগারের আসবাবপত্র গায়েব করে ফেলেন। তিনি আরও বলেন উক্ত পাঠাগারের ফার্ণিচারগুলো করার জন্য তার নামে অবৈধ গাছ কাটার একটা মিথ্যা মামলাও হয়েছিল।
সভাপতির বক্তব্য প্রদানকালে বর্তমান চেয়ারম্যান জনাব হারুন-অর-রশীদ রুমের ব্যবস্থাসহ পাঠাগার বিষয়ক সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌঃ, মুহাম্মদ মনির হোসাইন, নিয়াজুল নাঈম, পারভেছ উদ্দীন, মুহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম, মুহাম্মদ নাঈম উদ্দীন, শাহাদাত হোসেন, আবু তালেব, ইয়াকুব রেজা, ইয়াছিন উদ্দীন, সাইফুল ইসলাম, মুহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম, মুহাম্মদ আবদুস সামাদ, মুহাম্মদ ওয়াহিদুল আলম, মুহাম্মদ আশিক, মুহাম্মদ অভি, মুহাম্মদ ইউনুছ, মুহাম্মদ জামাল, মুহাম্মদ শাহিন প্রমুখ।
Monday, June 3, 2019
নারায়ণহাট দঃজুজখোলা কামিয়াব তরুণ সংঘের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন।
৩ জুন ২০১৯ ইং, রোজ সোমবার নারায়ণহাট দঃ জুজখোলা কামিয়াব তরুণ সংঘের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে দঃ জুজখোলা জামে মসজিদে মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে ও আমানুল্লাহ রাশেলের সঞ্চালনায় "ইছালে সাওয়াব ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হয়"। এতে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফ্রেন্ডস এসোশিয়েশন ক্লাবের সভাপতি জনাব মুহাম্মদ ইদ্রীচ আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শান্তিরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাষ্টার মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মাষ্টার মুহাম্মদ আবুল বশর, জনাব আব্দুল করিম বাবুল মেম্বার, জনাব ডাক্তার মুহাম্মদ ইদ্রীচ আলম, জনাব মুহাম্মদ আবু তাহের (প্রবাসী), জনাব আহমদ ছাফা ও জনাব আব্দুল মুনাফ (প্রবাসী)। প্রধান আলোচক ছিলেন মাওলানা আব্দুল মাবুদ হোসাইনী, বিশেষ আলোচক ছিলেন মাওলানা কাজী আবু বক্কর হোসাইনী, মাওলানা মুসলিম উদ্দীন, ও মাওলানা নুরুচ্ছাফা। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবির মেধাবী শিক্ষার্থী মুহাম্মদ নাঈম উদ্দীন।
বিশেষ বক্তা হিসেবে ছিলেন মুহাম্মদ করিমুচ্ছাফা, কামিয়াব তরুণ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলা উদ্দিন। যাদের আন্তরিক সহযোগিতা ছিল তারা হলেন প্রবাসী আব্দুস সবুর, কামিয়াবের সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, শামীম উদ্দিন ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শহিদুল্লাহ।
বিশেষ বক্তা হিসেবে ছিলেন মুহাম্মদ করিমুচ্ছাফা, কামিয়াব তরুণ সংঘের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলা উদ্দিন। যাদের আন্তরিক সহযোগিতা ছিল তারা হলেন প্রবাসী আব্দুস সবুর, কামিয়াবের সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, শামীম উদ্দিন ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শহিদুল্লাহ।
Thursday, May 30, 2019
কাব্যানুবাদ তু কুজা মান কুজা
বাংলা অনুবাদ, তু কুজা মান কুজা
- মাহদী গালিব
তু কুজা মান কুজা
- তুমি কোথায়! আর আমি কোথায়!
এখানে বুঝানো হচ্ছে : আমি অতি-তুচ্ছ। প্রায় অস্তিত্বহীন। আর তিনি পূর্ণ প্রতিষ্ঠিত। এতটাই যে, আমি তা কল্পনা করতেও ব্যর্থ।
তু আমিরে হারাম
ম্যায় ফাকিরে আ'যম
তেরে গুন অওর ইয়েহ লাব
ম্যায় তালাব হি তালাব
তু আতা হি আতা
- তুমি পবিত্র আরবের রাজাধিরাজ। আমি সামান্য অনারব ভিখারী। এ পাপিষ্ঠ ঠোঁট তোমার প্রশংসার অযোগ্য। তুমি প্রতিদানের প্রতিভূ। আমি চিরবিভ্রান্ত। ত্রুটির তালেবর। আর তুমি দাতা-দানোত্তম। সর্বোত্তম দাতা।
ইলহাম হ্যায় জামাহ তেরা
কুর'আন ইমামা হ্যায় তেরা
মিম্বার তেরা আরশে বাঁরী
ইয়া রাহমাতাল্লিল আল-আমিন
তু কুজা মান কুজা
- ঐশী-ইঙ্গিত তোমার শোভিত পোষাক। কোর'আন তোমার উষ্ণীষ (পাগড়ি)। আরশ তোমার সমুচ্চ সিংহাসন। হে রহমাতাল্লিল আল-আমিন, তুমি কোথায়! আর আমি কোথায়!
তু হাকিকাত হ্যায় ম্যায় স্রেফ এহেসাস হুঁ
তু সামুন্দার ম্যায় ভাটকি হুয়ি পিয়াস হুঁ
মেরা ঘার খাক পার অওর তেরি রাহ-গুযার
সিদ্রাতুল মুনতাহা, তু কুজা মান কুজা
- তুমিই বাস্তবতা। আমি নিছক অনুভব। তুমি সুপেয় সমুদ্র। আমি বিক্ষিপ্ত পিপাসা। আমি বস্তির বাসিন্দা। আর তোমার যাতায়ত 'সিদ্রাতুল মুনতাহা' অবধি।
অ্যাঁয় ফারিশতো ওহ সুলতানে মেরাজ হ্যায়
তু জো দে দেখো গে হ্যায়রান হো জাওগে
যুলফ তাফসিরে ওয়াল্লাইল বান জায়েগি
চেহেরা কুরান সারা নাযার আয়েগা
- হে ফেরেশতাগণ! তিনি মেরাজ-রাজ। তাঁকে দেখলে বাকরুদ্ধ হয়ে যাবে (তিনি এতই সুন্দর)। তাঁর চুলের বেণী 'ওয়াল্লাইল'-এর ব্যাখ্যা। তাঁর মুখশ্রী পূর্ণ কোর'আনের প্রতিবিম্ব।
খায়রুল বাশার রুতবা তেরা
আওয়াজে হক্ব খুতবা তেরা
আফাক্ব তেরা সামাঈ
ছাহিস জিব্রিলে আমি
- তুমি একক ও অদ্বিতীয় মানব। খোদার শব্দই তোমার ভাষ্য। সপ্তস্বর্গ তোমার শ্রোতা। জীব্রাইল তোমার ঘোড়ার রাখাল (ছাহিস/রাখাল : যে ঘোড়ার লাগাম ধরে রাখে)।
তু হ্যায় আহরামে আনওয়ার বান্ধে হুয়ে
ম্যায় দুরুদোঁ কি দাস্তার বান্ধে হুয়ে
কাবায়ে ইশক তু ম্যায় তেরে চারছু
তু আছার মে দু'আ
তু কুজা মান কুজা
- তুমি ঝলমলে স্বর্গীয় পাগড়ী পরিহিত। আর আমার সম্বল তোমার শ্রদ্ধায় বিধৌত ছিন্নবস্ত্র। তুমি প্রেমের কাবা। আমি চক্কোর দেই তোমার চারিধারে। আমি প্রার্থণা। তুমি তার ফলাফল (প্রতিদান)।
তুমি কোথায়! আমি কোথায়!
তুমি কোথায়! আমি কোথায়!
কাসিদায়ে বুরদা কাব্যানুবাদ।
কাব্যানুবাদক- মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন কাদেরী।
♥"মুহাম্মাদুন ছায়্যিদুল কাউনাইন ওয়াচ্ছাকালাইন
ওয়াল ফারিকাইনি মিন আরবিওয়ামিন আযমি।"
//
এপার ওপার(দুনিয়া ও আখিরাত)জিন মানবের কান্ডারী মোর নূর নবী(দ)।
আরব আযম ফরক্ব নাহি সবার তিনি খুদ রবি।
♥"নাবিয়্যুনাল আ মিরুন্না হি ফালা আহাদুন
আবাররা ফি ক্বাওলি লা মিনহু ওয়ালা না আমিচ
//
নবী মোদের পুণ্য পাপের আদেশ-নিষেধকারী,
হ্যাঁ, না বলায় সর্বোচ্চ সততায় একমাত্র আরোহণকারী।
//
♥"হুয়াল হাবিবুল্লাজি তুরজা শাফা'আতুহু
লিকুল্লি হাওলিন্মিনাল আহওয়ালি মুক্বতাহিমি।"
//
কবর হাশর পুলছিরাতে,বিপদ আপদ মসিবতে সুপারিশ পাব যার,
হাবিব বলেই প্রেমিক বনে স্বয়ং আল্লাহ তাঁর।
//
♥"দা'আ ইলাল্লাহি ফাল্ মুস্তামছিকোনা বিহি
মুস্তামছিকোনা বিহাব্লিন গাইরি মুনফাসিমি।"
//
ডেকেছিলেন খোদার পথে,এসেছিল যারা সেই মতে।
পেলেন শক্ত সেই রশি যার সংযোগ রবের সাথে।
//
♥"ফাক্বান্নাবিয়্যিইনা ফি খালকিন ওয়াফি খুলুকিন
ওয়ালাম ইয়ুদা'নোহু ফি ইল্মিন ওয়ালা কারামিই"।
//
দৈহিক গড়নে মাধুর্য সৎ আচরণে কেউ নাই তাঁর মতন,
(প্রভু)এমন ইজ্জত আযমত,ইলম ও হেকমত দিয়ে করেনি কাউরে সৃজন।
//
♥ "ওয়াকুল্লুহুম মিন্ রাসুলিল্লাহি মুলতামিছুন
গার্'ফান মিনাল বাহ্'রি আও রাশফান মিনাদ্দাইয়ামি।"
//
জ্ঞান আহরণে সব নবীগণে যাচনা করে রাসুলের কাছে কায়মনে,
সমুদ্র থেকে অঞ্জলি ভরে,চুমুক লাগিয়ে ভারী বর্ষণে।
♥"মুহাম্মাদুন ছায়্যিদুল কাউনাইন ওয়াচ্ছাকালাইন
ওয়াল ফারিকাইনি মিন আরবিওয়ামিন আযমি।"
//
এপার ওপার(দুনিয়া ও আখিরাত)জিন মানবের কান্ডারী মোর নূর নবী(দ)।
আরব আযম ফরক্ব নাহি সবার তিনি খুদ রবি।
♥"নাবিয়্যুনাল আ মিরুন্না হি ফালা আহাদুন
আবাররা ফি ক্বাওলি লা মিনহু ওয়ালা না আমিচ
//
নবী মোদের পুণ্য পাপের আদেশ-নিষেধকারী,
হ্যাঁ, না বলায় সর্বোচ্চ সততায় একমাত্র আরোহণকারী।
//
♥"হুয়াল হাবিবুল্লাজি তুরজা শাফা'আতুহু
লিকুল্লি হাওলিন্মিনাল আহওয়ালি মুক্বতাহিমি।"
//
কবর হাশর পুলছিরাতে,বিপদ আপদ মসিবতে সুপারিশ পাব যার,
হাবিব বলেই প্রেমিক বনে স্বয়ং আল্লাহ তাঁর।
//
♥"দা'আ ইলাল্লাহি ফাল্ মুস্তামছিকোনা বিহি
মুস্তামছিকোনা বিহাব্লিন গাইরি মুনফাসিমি।"
//
ডেকেছিলেন খোদার পথে,এসেছিল যারা সেই মতে।
পেলেন শক্ত সেই রশি যার সংযোগ রবের সাথে।
//
♥"ফাক্বান্নাবিয়্যিইনা ফি খালকিন ওয়াফি খুলুকিন
ওয়ালাম ইয়ুদা'নোহু ফি ইল্মিন ওয়ালা কারামিই"।
//
দৈহিক গড়নে মাধুর্য সৎ আচরণে কেউ নাই তাঁর মতন,
(প্রভু)এমন ইজ্জত আযমত,ইলম ও হেকমত দিয়ে করেনি কাউরে সৃজন।
//
♥ "ওয়াকুল্লুহুম মিন্ রাসুলিল্লাহি মুলতামিছুন
গার্'ফান মিনাল বাহ্'রি আও রাশফান মিনাদ্দাইয়ামি।"
//
জ্ঞান আহরণে সব নবীগণে যাচনা করে রাসুলের কাছে কায়মনে,
সমুদ্র থেকে অঞ্জলি ভরে,চুমুক লাগিয়ে ভারী বর্ষণে।
Wednesday, May 29, 2019
সূরা ত্বোহা রিভিউ
★★ সূরা ত্বোহা রিভিউ ★★
-মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন ক্বাদেরী।
******************************
الصلوة والسلام عليك سيدنا وحبيبنا و شفيعنا ومؤلانا وطبيب قلوبنا يارسول الله صلى الله تعالی عليه وسلم
★ ★কোন এক কবি বলেন★★
" ব্বালা উনকি তাওসিফো কিয়া কোয়ি লেখে"
"ওয়হ ছেরতা বপা মু'জিজা বন কে আয়ে"
(তার গুণাগুণ লেখার সাধ্য আছে কার?
মাথা থেকে পা অবধি মু'জিজা যাহার।)
*******************************
মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন।
শিক্ষার্থীঃ জামিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা। অনার্সঃ রাজনীতি বিজ্ঞান,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
-মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন ক্বাদেরী।
******************************
الصلوة والسلام عليك سيدنا وحبيبنا و شفيعنا ومؤلانا وطبيب قلوبنا يارسول الله صلى الله تعالی عليه وسلم
★আল্'হাম্'দু লিল্লাহ্, ওয়াস্'সালাতু ওয়াস'সালামু আলা রাসুলিল্লাহ, ওয়া আলা আ'লিহি ওয়া আস্'হা বিহি আজ্'মাঈন।★
★প্রথমেই বলে রাখি, এখনো তাফসীর দেখিনাই,
অনুবাদ থেকেই যা বোধগম্য হয়েছে তার বিশ্লেষণ করে একটা রিভিউ উপস্থাপন করা ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা মাত্র।
কোন কিছু ভুল হলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আল্লাহ যেন আমাকে মাফ করেন, আপনাদের অবকাশ দিচ্ছি কিছু ভুল হলে আমাকে শুধরিয়ে দিয়ে ধন্য করবেন।★
আসা যাক রিভিশনে...
পবিত্র কুরানুল কারীমের ষোলতম পারায় এবং ক্রমান্বয়ে ২০তম সূরা হলো সূরা ত্বোহা। যা মক্কায় অবতীর্ণ হয়, আয়াত সংখ্যা ১৩৫ টি এবং রুকু-৮টি।
★ আয়াতটি শুরু হয়েছে মহান আল্লাহ তায়ালা এবং তার প্রিয়তম বন্ধু হুজুরে আক্'রম্ ছায়্যিদুল মুরসালিন, রাহ্'মাতাল্লিল আলামিন মুহাম্মদ মোস্তফা ওয়াল মুজতবা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মধ্যে পারস্পরিক কুশল বিনিময়ের মাধ্যমে, সে কুশল বিনিময় কোন্ ধরনের বাক্যে, কোন্ ধরনের সম্বোধন, কত মধুর ও গোপন আলাপচারীতার মাধ্যমে হয়েছে তা বুঝার সাধ্য বান্দার নাই।
এ শুধু আল্লাহ ও তার হাবীব(দ) ই ভালো জানেন।
আমরা শুধু কপালের চোখে দেখি আরবী দুটি অক্ষর তথা ﻃ-ﻪ অর্থাৎ ত্বা এবং হা।
এই দুইয়ের(অক্ষরের) হেকমত দুইজনেই(আল্লাহ ও তার রাসুল ﷺ) ভালো বুঝেন এবং জানেন।
এরপরপরেই আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তার প্রিয় হাবীবের সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে ২-৩ নং আয়াত শুরু করলেন নবীজির অতুলনীয় শান বর্ণার মাধ্যমে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন( ﻣَﺎ ﺃَﻧْﺰَﻟْﻨَﺎ ﻋَﻠَﻴْﻚَﺍﻟْﻘُﺮْﺁﻥَ ﻟِﺘَﺸْﻘَﻰ) "হে আমার প্রিয় হাবীবﷺ
আমি কুর'আন এ জন্যে নাযিল করিনি যে তুমি এর দ্বারা কষ্ট পাবে বরং এটা আমি নাযিল করেছি তোমাকে যেন কোন কষ্ট করতে না হয় সেজন্যেই, অর্থাৎ এ কুর'আন মূলত তোমার জন্যেই আমি উপহার স্বরুপ নাযিল করেছি যা একটা নসিহত মাত্র-সে ব্যক্তির জন্যে,যে (আমাকে) ভয় করে।
আমি এর মাধ্যমেই তোমার কাজকে সহজ করে দিতে চাই এবং তোমার প্রকৃত মাহাত্ম্য তাদেরকে বুঝিয়ে দিতে চাই যারা তোমাকে অবিশ্বাস করে তোমাকে নিয়ে ঠাট্টা করেছে।
★৪-৮ নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা স্বীয় শ্রেষ্ঠত্বের কথা স্বরণ করিয়ে দিলেন।
বান্দাহকে সতর্ক করে দিলেন এই কিতাব তার কাছ থেকেই এসেছে যিনি আসমানকে ছাদ ও জমিনকে বিচানা স্বরুপ তোমাদের সৃষ্টি করেছেন, আসমান ও জমিনের মধ্যে যা কিছু আছে সবই তার হাবীবের গুণগানে মশগুল।
তোমরা জোরে কথা বলো কিংবা মনে মনে গোপনে তার সবই আমি শুনতে পাই।আল্লাহ তায়ালা ছাড়া কোন মাবুদ নাই যাবতীয় উত্তম নামসমূহ তার জন্যেই (নিবেদিত)।
♦★৯ নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বান্দাহকে একটা বিষয়ে স্পষ্ট করে দিলেন তা হলো তিনি তার প্রিয় রাসুলকে #ইলমে_গায়েব" তথা অদৃশ্যের(আগে পরের) সব জ্ঞানই বহু পূর্বে অন্তরে পৌঁছিয়ে দিয়েছেন।
আর সেজন্যই আল্লাহ জিজ্ঞেস করলেন- ﻭَﻫَﻞْ ﺃَﺗَﺎﻙَ ﺣَﺪِﻳﺚُ ﻣُﻮﺳَﻰ"অর্থাৎ-হে হাবীব ﷺ তোমার কাছে কি মূসা নবীর কাহিনী পৌঁছেছে??
উল্লেখ্য এটা যদি রাসুলের জন্য নতুন ঘটনা হতো তবে প্রশ্ন করার প্রয়োজন ছিলনা, প্রশ্ন না করে ডাইরেক্ট ঘটনাটিই বর্ণনা করতেন।
এরপর আল্লাহ তায়ালা মূসা আলাইহিসসালাম কে নবুওয়ত প্রদানের ঘটনা বর্ণনা করলেন।
এখানে ১২ নং আয়াতে একটা দারুণ শিক্ষা আছে আমাদের উম্মতে মুহাম্মাদি ﷺ এর জন্য।
তা হলো পবিত্র কোন জায়গায়(মসজীদ,রাসুলের রওজা,অলীর মাজার ইত্যাদিতে) অবশ্যই জুতা খুলে খালি পায়েই যেতে হবে, এটাই আদব, আর এ আদব মহান আল্লাহ তায়ালাই শিক্ষা দিয়েছেন হযরত মূসা নবীর মাধ্যমে।
আল্লাহ বলেন-ﺇِﻧِّﻲ ﺃَﻧَﺎ ﺭَﺑُّﻚَ ﻓَﺎﺧْﻠَﻊْ ﻧَﻌْﻠَﻴْﻚَ ﺇِﻧَّﻚَ ﺑِﺎﻟْﻮَﺍﺩِﻱ ﺍﻟْﻤُﻘَﺪَّﺱِ ﻃُﻮًﻯ অর্থাৎ নিশয়ই আমি,আমিই হচ্ছি তোমার মালিক,তুমি তোমার জুতো দুটো খুলে ফেলো,কেননা তুমি এখন পবিত্র "তুয়া"উপত্যকায় দাঁড়িয়ে আছো।"
★আল্লাহ তায়ালা মূসা আলাইহিসসালাম কে নবুয়ত প্রদানের পর প্রথম যে উপদেশ দিলেন তা ছিল নামায প্রতিষ্ঠারই উপদেশ।
এরপর কিয়ামত দিবসের কথা বর্ণনা করলেন।
কিয়ামত দিবস কবে হবে তা গোপন রাখার রহস্যটাও বলে দিলেন ১৫ নং আয়াতে।
মূলত গোপন রাখার কারণ হলো যাতে প্রতিটি ব্যক্তিকে কিয়ামতের দিন নিজ নিজ কর্ম অনুযায়ী প্রতিদান দেয়া যায়,এক কথায় পরীক্ষা করার জন্যেই।
★১৬-৭৩ নং আয়াত পর্যন্ত মূসা আলাইহিসসালাম ও ফেরাউনের মধ্যে সংঘটিত মু'জিজার ঘটনাগুলো সবিস্তারে বর্ণিত হয়েছে।
♦ এখানে দাওয়াত দেওয়ার একটা পদ্ধতি শিখিয়ে দিলেন ৪০ নং আয়াতে,
আর তা হলো ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার সময় শত্রুর সাথেও যেন নম্র ব্যবহার করে।আল্লাহ বলেন-ﻓَﻘُﻮﻟَﺎ ﻟَﻪُ ﻗَﻮْﻟًﺎ ﻟَﻴِّﻨًﺎ ﻟَﻌَﻠَّﻪُﻳَﺘَﺬَﻛَّﺮُ ﺃَﻭْ ﻳَﺨْﺸَﻰ অর্থাৎ দাওয়াত দেয়ার সময় ফেরাউনের সাথে নম্রভাবেই কথা বলে দাওয়াত দিও,এতে করে হয়তো দাওয়াত গ্রহণ করবে বা আল্লাহকে ভয় করবে।
কিভাবে মূসা নবীর লাঠি সাপ হয়ে ফেরাউনের যাদুকরের সব যাদুর সাপ খেয়ে ফেল্ল এবং ওই লাঠি দিয়েই কিভাবে সমুদ্রের উপর দিয়ে রাস্তা তৈরি করলেন, ফেরাউনকে ডুবিয়ে মারলেন তার দারুন বর্ণনা আছে।
এর মধ্যে মূসা আলাইহিসসালাম কে আল্লাহ সেই শিশু অবস্থা থেকে কিভাবে বিভিন্নভাবেই সাহায্য করে অনুগ্রহ করেছেন তার ও বর্ণনা আছে।
৫৩-৫৫ নং আয়াতে জীব ও উদ্ভিদ বিজ্ঞানের তত্ত্ব দিয়েছেন অর্থাৎ কোন উদ্ভিদ জন্মানোর কৌশল, বৃষ্টির পানির উপকারীতা ও পশুদের খাবার সংরক্ষণের পদ্ধতি বর্ণিত হয়েছে।
★এরপর আল্লাহ তায়ালা জান্নাত জাহান্নাম ও কিয়ামত দিবসের ব্যাপারে বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন। ৮৪-৯৮ নং আয়াতে "সামেরির" সেই মানুষকে বেকুব বানিয়ে গোমরাহ করার সুন্দর ঘটনাটি বর্ণিত হয়েছে, মূসা নবী তার ভাই হারুন কে নিজের কাওমের দায়িত্ব দিয়ে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করতে গেলেন, এরই মধ্যে তার কাওমকে গোমরাহ করে দেয় সামেরি নামের এক ব্যাক্তি।
সে হযরত জিবরাইল আলাইহিসসালাম এর (ঘোড়ার) পদচিহ্ন থেকে এক মুঠো মাটি সংগ্রহ করে রেখে দেয়,সবার থেকে স্বর্ণ অলংকার নিয়ে একটা গরুর মূর্তি তৈরি করে তাতে ওই সংগৃহীত মাটি নিক্ষেপ করা মাত্রই ওই মূর্তিতে জীবন সঞ্চার হয় আর তা গরুর মতই আওয়াজ দেয়,আর সামেরি মানুষকে বল্ল এই হলো খোদা তথা প্রভু,তোমাদের মুসার ও প্রভু, সবাই ওটার পূজা করা শুরু করে, হযরত হারুন আলাইহিসসালাম নিষেধ করলে তারা জবাব দেয় মূসা নবী না আসা পর্যন্ত তারা এই মূর্তির পূজাই করে যাবে।
★ ৯৯ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন হে আমার হাবীব (দ) আমি এভাবেই এক একটা ঘটনা বর্ণনা করে তোমার উম্মতের জন্য শিক্ষা নেয়ার উপাদান দিয়ে দেব যাতে তুমি খুশি হও। তোমাকে স্মরণীকা তথা কুরান দিলামই,তবে কেউ যদি এই কুরান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় তার জন্যে কিয়ামতের দিন থাকবে কঠিন ও কঠোর শাস্তি, এরপরপরেই আল্লাহ তায়ালা ১১২ নং আয়াত পর্যন্ত কিয়ামত দিবসের ভয়াভহতা বর্ণনা করেন।শিংগায় ফু দিলেই সব পাহাড় পর্বত টুকরো টুকরো হয়ে যাবে,অতঃপর সবকিছুকে মসৃণ সমতল ভূমিতে পরিণত করা হবে যাতে কোন উঁচুনিচু থাকবেনা একেবারেই সমতল থাকবে।যারা দুনিয়াতে আল্লাহর আয়াত দেখেও না দেখার ভান ধরে পাপ করে চলেছিল সেদিন তাদের অন্ধ করেই উঠানো হবে,এ ভয়ংকর পরিস্থিতিতে ভীতিবিহ্বল মানুষের পায়ে চলার মৃদু আওয়াজ ছাড়া অন্য কোন আওয়াজ শুনবেনা,দয়াময় আল্লাহর প্রচন্ড ক্ষমতার সামনে অন্য সব শব্দই ক্ষীণ হয়ে যাবে।
♦১০৯ নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বড় সন্দেহের অপনোধন করে দিলেন,
তা হলো কিয়ামতের এই ভয়ানক পরিস্থিতিতে শাফায়ত তথা সুপারিশকারী কেউ থাকবে কিনা এই প্রশ্নের উত্তর নিজেই দিয়ে দিলেন এভাবে-
ﻳَﻮْﻣَﺌِﺬٍ ﻟَﺎ ﺗَﻨْﻔَﻊُ ﺍﻟﺸَّﻔَﺎﻋَﺔُ ﺇِﻟَّﺎ ﻣَﻦْ ﺃَﺫِﻥَ ﻟَﻪُ ﺍﻟﺮَّﺣْﻤَﻦُ ﻭَﺭَﺿِﻲَ ﻟَﻪُ
ﻗَﻮْﻟًﺎ.
♦অর্থাৎ -"সেদিন আল্লাহ যাদের অনুমতি দিবেন এবং যাদের কথায় আল্লাহ সন্তুষ্ট তারা ব্যতীত আর কারো সুপারিশ কাজে আসবেনা।"
এতে করে একটা বিষয় সুস্পষ্ট হয়ে গেলে কিয়ামতের কঠিন দিনে দুই শ্রেণীর সুপারিশকারী থাকবে ১। দয়াময় আল্লাহ যাকে অনুমতি দিবেন।কাকে অনুমতি দিবেন তা এই আয়াতে স্পষ্ট করে না বল্লেও বিবেকবানদের বুঝতে দেরি হবেনা।
২।যাদের কথায় আল্লাহ সন্তুষ্ট হবেন তারা।
কাদের কথায় আল্লাহ সন্তুষ্ট এটা কি আর বলার দরকার আছে?
কারা আবার?? সাহাবায়ে কেরামগণ,তাবেয়ীগণ, শহীদগণ,মাজহাবের ইমাম,হাদিসের ইমামগণ,
অলী,গাউছ,কুতুব,আবদাল ইত্যাদি এরাই আর কি।
আল্লাহর প্রিয় হাবীব(দ) এর চেয়ে বেশি আল্লাহকে সন্তুষ্ট করেছেন এমন কেউ কি দুনিয়াতে ছিল? নাকি আছে কিংবা থাকবেন?
আল্লাহ অনুমতি দিলে ১ নম্বরে আল্লাহর ১ নম্বর হাবীব(দ) কেই তো দিবেন। যিনি ইমামুল আম্বিয়া, ছায়্যিদুল কাওনাইন ওয়াচ্ছাকালাইন, রাহমাতিল্লাহ আলামিন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে না তো কাকে সুপারিশের অনুমতি দিবেন।
অতএব স্পষ্ট এই আয়াতের পরেও যদি কেউ নবীজিকে শাফায়তের মালিক বল্লে শিরিকের গন্ধ পায় তবে সে সবচেয়ে বড় জাহেল, নাফরমান কুরান অস্বীকারকারী।
১১৪ নং আয়াতে আবারো নবীজির প্রশংসা করে আল্লাহ তায়ালা বান্দার জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য নবীজির মাধ্যমে একটা দোয়া শিখিয়ে দিলেন তা হলো-
ْ ﺭَﺏِّ ﺯِﺩْﻧِﻲﻋِﻠْﻤًﺎ
(রাব্বি জিদ্'নিই ইল্'মা)
এরপর ১২৭ নং আয়াত পর্যন্ত হযরত আদম আলাইহিসসালাম ও মা হাওয়া আলাইহিসসালাম কিভাবে কেন জান্নাত থেকে বের হলেন এবং ইবলিশ শয়তানের কুমন্ত্রণা প্রসঙ্গে বলেছেন।
★১৩০ নং আয়াতটি এত বেশি তাৎপর্যপূর্ণ বলে আমি ক্ষুদ্র জ্ঞানে মনে করতেছি যা ভাষায় বর্ণনা করার সেই সাধ্য বা ভাষা কিছুই আমার নাই।
তাও অন্তত কয়েক লাইন হলেও বলার চেষ্টা করব,
ﻓَﺎﺻْﺒِﺮْ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺎ ﻳَﻘُﻮﻟُﻮﻥَ ﻭَﺳَﺒِّﺢْ ﺑِﺤَﻤْﺪِ ﺭَﺑِّﻚَ ﻗَﺒْﻞَ ﻃُﻠُﻮﻉِ
ﺍﻟﺸَّﻤْﺲِ ﻭَﻗَﺒْﻞَ ﻏُﺮُﻭﺑِﻬَﺎ ﻭَﻣِﻦْ ﺁﻧَﺎﺀِ ﺍﻟﻠَّﻴْﻞِ ﻓَﺴَﺒِّﺢْ ﻭَﺃَﻃْﺮَﺍﻑَ ﺍﻟﻨَّﻬَﺎﺭِ ﻟَﻌَﻠَّﻚَﺗَﺮْﺿَﻰ
১। এখানে বলে দেয়া হলো ﻓَﺎﺻْﺒِﺮْ ﻋَﻠَﻰ ﻣَﺎ ﻳَﻘُﻮﻟُﻮﻥَ হে আমার প্রিয় হাবীব(দ), এরা যা বলছে বা বলবে(তোমার বিরুদ্ধে,তোমাকে কটাক্ষ করে,তোমার শানে বেয়াদবী হয় এমন কথায়)তাতে তুমি ধৈর্য ধারণ কর।(তাতে কর্ণপাত করিওনা বরং আমি নিজেই এর কঠোর প্রতিশোধ নেব কঠিন থেকে কঠিনতর শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি এদের জন্যে)।
এখানে একটা বিষয় উল্লেখ করতেই হয় তা হলো
বাংলা এবং ইংরেজি গ্রামারে কাল বা Tense তিন প্রকারই আলাদা।
Past,Present, Future অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যত।
past বল্লে যেমন বর্তমান বুঝায়না তেমনি present বল্লেও Future বুঝায়না। কিন্তু আরবী গ্রামারে ব্যাপারটা ভীন্ন।
আরবী গ্রামে present (মুজারে'এ) বল্লে তাতে Future(মুস্তাকবাল) ও বুঝায়,অর্থাৎ আরবীতে অতীতকাল এবং ভবিষ্যতকাল বুঝাতে একই শব্দ ব্যবহার হয়।ভীন্ন শব্দ লাগেনা।
তার মানে আরবীতে কাল দুই ভাগে বিভক্ত
১। মা'জিই তথা অতীত।
২। মুসতাকবাল তথা বর্তমান ও ভবিষ্যত।একই শব্দের মধ্যে উভয় কাল নিহিত।
উদাহরণঃ
ইংরেজিতে ও বাংলাতে তিনকালে তিন রকম শব্দ
past>> he did (সে করল)
present >>he does,(সে করে)
future >>he will do(সে করবে)
আর আরবী হলোঃ
১।ﺬﻫﺐ =সে গেল(অতীত)
২।ﻳﺬﻫﺐ =সে যায়/যাচ্চে/যাবে(বর্তমান ও ভবিষ্যত)
এতগুলো কথা বলার উদ্দেশ্য ছিল একটাই, উপরে বর্ণিত ১৩০ নং আয়াতে একটা শব্দ আছে- ﻳَﻘُﻮﻟُﻮﻥَ এটাও এমন একটা শব্দ যাকে আরবীতে মুজারা এর সীগাহ বলা হয়, যা একই সাথে বর্তমান ও ভবিষ্যতের অর্থ দেয়,এর অর্থ দাড়ায় =এরা বলছে বা বলবে।
পুরো আয়াতের অর্থ দাড়ায় এভাবে,"হে রাসুল(দ)
এরা(দুশমনরা)যাই বলছে বা বলবে তুমি তাতে ধৈর্য ধারণ কর। ﻳَﻘُﻮﻟُﻮﻥََশব্দটি একটা আ'ম তথা সাধারণ শব্দ যা কিয়ামত পর্যন্ত যেকোন সময়ের জন্য বুঝাবে, এটা নির্দিষ্ট কোন সময়ের জন্য নয়।
সুতরাং মুদ্দা কথাটা হলো হে রাসুল(দ) তোমার বিরুদ্ধে বলার লোক এখনো আছে কিয়ামতের আগ পর্যন্ত ও থাকবে, এখনো বিরুদ্ধে বলছে কিয়ামতের পূর্ব পর্যন্ত বলবে আর এজন্যই আল্লাহ
রাব্বুল আলামিন ﻳَﻘُﻮﻟُﻮﻥَ শব্দ ব্যবহার করে বল্লেন তারা যাই বলছে বা কিয়ামত পর্যন্ত বলবে তাতে তুমি ধৈর্যধারণ কর।
♦ বাস্তব সত্য হলো এই আয়াতের ২০১৮ সালেও এব্যাইলব মিল পাই, রাসুলের বিরুদ্ধে বলার মত মানুষ, নামধারী মুসলমান এখনো দেখা যায়।
রাসুলকে আমার মত সাধারণ মানুষ বলে রাসুলের সুমহান ইজ্জত ও শান মানকে খাটো করতে চায় এমন মানুষ এখনো দেখা যায়।
রাসুল(দ), দোষগুণে সাধারণ মানুষ(নাউজুবিল্লাহ), ইলমে গায়েব জানেনা,হাজির নাজির না, রাওজা তুলে ফেলে দিতে হবে,মরে গেছে,উছিলা চাওয়া যাবেনা ইত্যাদি বলার মত জঘন্য ও ঘৃণ্য মানুষগুলো যুগে যুগে ছিল এখনো আছে, থাকবে।
♦ রাসুল(দ) রাওজায় যদি জিন্দা তথা হায়াতুন্নবী না হন আল্লাহ তায়ালা কেন বলেছেন? হে নবী এরা যা বলছে এবং বলবে তাতে ধৈর্যধারণ কর।
বলতে গেলে অনেক কিছুই বলা যায়, আজ এখানেই থাক,
আয়াতের বাকী অংশে আল্লাহ তায়ালা ৫ ওয়াক্ত নামাজের সময় বলে দিলেন সূর্যদয়ের আগে ফজর,সূর্যাস্তের পর মাগরিব, রাতের একটা অংশে ইশা,এবং দিনের দুই ভাগে জোহর ও আসর।
♦ আয়াতের শেষ অংশটা আরো বেশি মাহাত্ম্যপূর্ণَْ। সেটা হলো ﻟَﻌَﻠَّﻚَﺗَﺮْﺿَﻰ হয়তো তুমি সন্তুষ্ট হবে।
এখানে ﻟَﻌَﻠَّﻚ(হয়তো) শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
ইংরেজিতে may,
মানে may you will satisfy.
তার মানে তুমি সন্তুষ্ট হতেও পার আবার নাও হতে পার।ব্যাপারটা হলো হে হাবীব(দ) তোমার উম্মতের মধ্যে অনেকেই দেওয়ানা, আশেক প্রেমিক থাকবে যারা এই ৫ওয়াক্ত নামায ও আদায় করবে তোমার শানে বেয়াদবি হবে এমন কোন আচরণও করবেনা।
তাদের আমি উত্তম প্রতিদান জান্নাত দেব তুমি তাতে সন্তুষ্ট হবে,কিন্তু যারা তোমার শানে বেয়াদবি করবে তাদের যে আমি কঠিন থেকে কঠিনতর শাস্তি দেব তা দেখে তোমার ভালো লাগবেনা
কারণ তোমাকে রাহমাতুল্লিল আলামিন (সব জাহানের জন্য দয়া মায়ার সাগর বানিয়েছি) তাই তুমি সন্তুষ্ট নাও হতে পার।
সুবহানআল্লাহ সুবহানআল্লাহ আল্লাহু আকবর।
প্রিয় নবীজি কেমন দয়াবান।
দুনিয়াতেও মক্কা বিজয়ের দিন চির শত্রুদের ক্ষমা করে দিয়ে সেই দৃষ্টান্ত দিয়ে গেলেন আল্লাহর প্রিয় রাসুল(দ)।
★ মজার বিষয় হলো সূরাটি শুরু হয়েছ রাসুলের শান মান দিয়ে ঠিক শেষ হয়েছেও রাসুলের শান মান নিয়ে মাঝখানে তো নবীজির শান ছিলই সব মিলিয়ে পুরো সূরা তো ছিল এবং অত্র সূরাতেই বলা হয়েছে পুরো কুর'আনটাই রাসুলের জন্যেই(রাসুলের শানমান তথা মর্য়াদা বৃদ্ধির জন্যেই) নাযিল করা হয়েছে। আল্লাহ কতইনা ভালোবাসেন তার প্রিয় হাবীবকে, সেই প্রিয় রাসুলের এক ফোটা ভালোবাসা যদি আমাদের কপালে জুটে যায় দুনিয়া আখিরাতে আর কিছুই চাওয়ার নাই।
আল্লাহ সবাইকে একবার হলেও নবীজির দিদার নসিব করুন- আমিন।
★ ★কোন এক কবি বলেন★★
" ব্বালা উনকি তাওসিফো কিয়া কোয়ি লেখে"
"ওয়হ ছেরতা বপা মু'জিজা বন কে আয়ে"
(তার গুণাগুণ লেখার সাধ্য আছে কার?
মাথা থেকে পা অবধি মু'জিজা যাহার।)
*******************************
মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন।
শিক্ষার্থীঃ জামিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা। অনার্সঃ রাজনীতি বিজ্ঞান,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
Monday, May 27, 2019
নামাজের যে উপকারিতা শুনলে আপনি আর নামাজ ছাড়বেন না
প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার ১১টি অসাধারণ স্বাস্থ্য উপকারিতা!
ইসলাম ডেস্ক: নামাজ হল ইসলাম ধর্মের প্রধান উপাসনাকর্ম। প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক। কিন্তু অনেকেই জানেন না নামাজ সাস্থের জন্য অনেক উপকারী।
নামাজ পড়ার মাধ্যমে আমাদের শরীরের বেশকিছু অঙ্গপ্রত্যঙ্গের নাড়াচাড়া হয় যা এক প্রকার ব্যায়াম। এই ব্যায়াম স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি। চলুন জেনে নেই নামাজ পড়ার ১১টি স্বাস্থ্য গত উপকারিতা সম্পর্কে:
১। নামাজে যখন সিজদা করা হয় তখন আমাদের মস্তিস্কে রক্ত দ্রুত প্রবাহিত হয়। ফলে আমাদের স্মৃতি শক্তি অনেকবৃদ্ধি পায়।
২। নামাজের যখন আমরা দাড়াই তখন আমাদের চোখ জায়নামাজের সামনের ঠিক একটি কেন্দ্রে স্থির অবস্থানে থাকে ফলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায়।
৩। নামাজের মাধ্যমের আমাদের শরীরের একটি ব্যায়াম সাধিত হয়। এটি এমন একটি ব্যায়াম যা ছোট বড় সবাই করতে পারে।
৪। নামাজের মাধ্যমে আমাদের মনের অসাধারন পরিবর্তন আসে।
৫। নামাজ সকল মানুষের দেহের কাঠামো বজায় রাখে। ফলে শারীরিক বিকলঙ্গতা লোপ পায়।
৬। নামাজ মানুষের ত্বক পরিষ্কার রাখে যেমন ওজুর সময় আমাদের দেহের মূল্যবান অংশগুলো পরিষ্কার করা হয় এর ফলে বিভিন্ন প্রকার জীবানু হতে আমরা সুরক্ষিত থাকি।
৭। নামাজে ওজুর সময় মুখমন্ডল ৩ বার ধৌত করার ফল আমাদের মুখের ত্বক উজ্জল হয় এবং মুখের দাগ কম দেখা যায়।
৮। ওজুর সময় মুখমন্ডল যেভাবে পরিস্কার করা হয় তাতে আমাদের মুখে একপ্রকার মেসেস তৈরি হয় ফলে আমাদের মুখের রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং বলিরেখা কমে যায়।
৯। কিশোর বয়সে নামাজ আদায় করলে মন পবিত্র থাকে এর ফলে নানা প্রকার অসামাজিক কাজ সে বিরত থাকে।
৯। কিশোর বয়সে নামাজ আদায় করলে মন পবিত্র থাকে এর ফলে নানা প্রকার অসামাজিক কাজ সে বিরত থাকে।
১০। নামাজ আদায় করলে মানুষের জীবনি শক্তি বৃদ্ধি পায়।
১১। কেবল মাত্র নামাজের মাধ্যমেই চোখের নিয়ম মত যত্ন নেওয়া হয়। ফলে অধিকাংশ নামাজ আদায় কারী মানুষের দৃষ্টি শক্তি বজায় থাকে।
১১। কেবল মাত্র নামাজের মাধ্যমেই চোখের নিয়ম মত যত্ন নেওয়া হয়। ফলে অধিকাংশ নামাজ আদায় কারী মানুষের দৃষ্টি শক্তি বজায় থাকে।
#collected from news24bd
অবহেলিতইয়ামেন ও সৌদিআরবের ইতিহাস
অবহেলিত ইয়ামেন ও ওহাবীবাদ প্রচারের ইতিহাস।
-মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন
যে ইয়ামেনের জন্য আল্লাহর রাসুল (দরুদ) দোয়া করেছেন সেই ইয়ামনে একের পর এক হামলা, ও খাদ্য সংকট তৈরি করে দোযখ সৃষ্টি করেছে সৌদি আরব।
কিছুদিন আগে আল জাযিরার এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে ইয়ামেনের অধিবাসীরা গাছের পাতা সিদ্ধ করে ইফতার ও সেহরি হিসেবে খাচ্ছে, এখন গাছের পাতা ও ঘাস ও শেষ হতে চলছে।
সৌদি আরব বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রে উটের গোস্ত সহ ইফতার সামগ্রী পাঠানোর প্রহসন করে।
উল্লেখ্য যে সৌদি আরবের বর্তমান রিয়াদের পূর্ব নাম নজদ। একবার আল্লাহর রাসুল(দ) হাত তুলে আল্লাহর দরবারে দোয়া করছিলেন (আল্লাহুমা বারিক লানা ফি ইয়ামানিনা ওয়া শাম) ইয়ামেন এবং শাম দেশে বরকতের জন্য দোয়া করলেন। এক সাহাবী দোয়া চলাকালীন বলে উঠলেন(ক্বালো নাজদিনা) আমাদের নজদের জন্য দোয়া করুন, নবীজি(দ) করলেননা এবং এরশাদ করলেন এই নজদ থেকেই শয়তানের শিং বের হবে সে আমার উম্মতের মধ্যে ফিতনা সৃষ্টি করবে। এভাবে আরো কিছু আলামত বর্ণনা করলেন।
এখানে শয়তান বাতেল-জালেম-পথভ্রষ্টকারী অর্থে, শিং আঘাতকারী অনিষ্টকর ক্ষমতাসীন অর্থে এবং ভূমিকম্প দ্বীন-মিল্লাত-মানবতার জন্য ধ্বংসাত্মক অর্থে) -আল হাদিস(#বোখারী_শরীফ_২য়_খন্ড_১০৫০)
ড. তাহিরুল কাদেরীর লিখিত নবীদ্রোহিদের নিদর্শন বইটিতে এ প্রসঙ্গে আরো বহু হাদীস যথেষ্ট রেফারেন্স সহকারে উল্লেখ আছে।
উইকেপেডিয়ার সাহায্যে সৌদি আরবের ইতিহাস ঘাটতে গিয়ে দেখি আব্দুল ওহাব নজদী নামক শয়তানের শিং টা নজদেই অষ্টাদশ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণ করে এবং ওহাবী আন্দোলন নামের একটা আন্দোলন করে উম্মতে মুহাম্মাদির মধ্যে ফেতনার বীজ বপন করে। তার সৃষ্ট সেই ওহাবীরাই আজ সারা বিশ্বে মুসলমানদেরকে লাঞ্চিত বঞ্চিত জাতিতে পরিণত করতে অনন্য ভূমিকা রেখেছে। আব্দুল ওহাব নজদির ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় জাজিরাতুল আরব সৌদি আরবে পরিণত হয়।
হক বাতেল পার্থক্যকারী উপরিউক্ত হাদিস শরীফে বাতেলের ঠিকানাসহ বলে দেয়া আছে যা রিয়াদ নামধারী নজদ। নজদ থেকে নজদের দরিয়া এলাকা থেকেই বাতেল জালেম সালাফী মতবাদ অনুসারী ওহাবী মতবাদ উদ্ভব। সেখানেই তারা ১৭৪৪ সালে ব্যপক রক্তপাতের মাধ্যমে প্রথম ওহাবী রাষ্ট্র কায়েম করে এবং ১৮১৮ সালে উৎখাত হয়। ১৮২৪-এ পূণঃ দখল করে ১৮৯১-এ আবার বিতাড়িত হয়। আবার ১৯০২ সালে নজদে পূণঃ ওহাবী রাষ্ট্র করে সেখান থেকে আগ্রাসন শুরু করে ১৯২৫ থেকে ভয়ংকর গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে অন্যান্য অপশক্তির সহায়তায় আল আরব জবর দখল শুরু করে ১৯৩২-এ কেবলাভূমিকে গোত্রবাদী ওহাবীবাদী “সৌদী আরব” ঘোষণা করে, যা কলেমার চেতনা উৎখাত ইসলাম ও মুসলিম মিল্লাতের জন্য মৃত্যু সমতুল্য।
আব্দুল ওহাব নজদীর সেই উগ্রবাদী মতবাদকে তীরের ধনুক হিসেবে ব্যবহার করেছে আমেরিকা। আমেরিকার প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় তুর্কীদের থেকে মোহাম্মদ বিন সাউদরা শাসন ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে নিজেদের নাম দিয়ে সৌদি আরব প্রতিষ্ঠা করে।
১৯৪৫ সালের পরবর্তী সময়ে আমেরিকা মিলিয়ন বিলিয়ন টাকা নব্য প্রতিষ্ঠিত সৌদি আরবকে দিয়েছে ওহাবীবাদ তথা উগ্রবাদ প্রচার করার জন্য।
এব্যাপারে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত নিউজ দেখুন-
#কালের_কন্ঠ-লিংক-
#দৈনিক_ইনকিলাব - লিংক
#News24- link,
এভাবে আরো বহু দেশীয় বিদেশী পত্রিকার নিউজ স্কিনশর্টসহ আমার টাইমলাইনে দেয়া আছে।
উইকেপেডিয়াতে আব্দুল ওহাব নজদীর সাথে নজদী শব্দটা বাদ দেয়া হয়েছে কেননা নজদ একটা অভিশপ্ত এলাকা তারাও জানে, নজদী শব্দ উল্লেখ করাতে মানুষ সহজেই শয়তানের শিং হিসেবে তাকে চিহ্নিত করতে পারছে বিধায় কৌশলে সে নজদ নামটাই মুচে দেয়ার চেষ্টা করছে কিন্তু সত্যকে কি চাপা দেয়া যায়??
সৌদি বাদশা অভিশপ্ত নজকে নাম পরিবর্তন করে "রিয়াদ" নামকরণ করেছে সেখানেই রাজধানী করেছে।
আমেরিকার ননির পুতুল সৌদি বাদশাদের উত্তরসূরী বর্তমান বাদশা সালমানের আমেরিকা ও ইজরাইলী প্রেমের কারণেই আজ আমরা হারিয়েছি আমাদের দ্বিতীয় কেবলা বাইতুল মুকাদ্দিস।
শুধু ইয়ামেন নয় পুরো বিশ্ব মুসলমানের চরম দূর্গতির পেছনে প্রধান ভূমিকা পালনকারী তাইয়্যিমার অনুসারী আব্দুল ওহাব নজদী ও তারই সহযোগী সৌদ পরিবার।
তাদেরই উত্তরসূরী ও অনুসারীরা আজ মুসলমানকে লাঞ্চিত, বঞ্চিত জাতিতে পরিণত করেছে।
-মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন
যে ইয়ামেনের জন্য আল্লাহর রাসুল (দরুদ) দোয়া করেছেন সেই ইয়ামনে একের পর এক হামলা, ও খাদ্য সংকট তৈরি করে দোযখ সৃষ্টি করেছে সৌদি আরব।
কিছুদিন আগে আল জাযিরার এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে ইয়ামেনের অধিবাসীরা গাছের পাতা সিদ্ধ করে ইফতার ও সেহরি হিসেবে খাচ্ছে, এখন গাছের পাতা ও ঘাস ও শেষ হতে চলছে।
সৌদি আরব বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রে উটের গোস্ত সহ ইফতার সামগ্রী পাঠানোর প্রহসন করে।
উল্লেখ্য যে সৌদি আরবের বর্তমান রিয়াদের পূর্ব নাম নজদ। একবার আল্লাহর রাসুল(দ) হাত তুলে আল্লাহর দরবারে দোয়া করছিলেন (আল্লাহুমা বারিক লানা ফি ইয়ামানিনা ওয়া শাম) ইয়ামেন এবং শাম দেশে বরকতের জন্য দোয়া করলেন। এক সাহাবী দোয়া চলাকালীন বলে উঠলেন(ক্বালো নাজদিনা) আমাদের নজদের জন্য দোয়া করুন, নবীজি(দ) করলেননা এবং এরশাদ করলেন এই নজদ থেকেই শয়তানের শিং বের হবে সে আমার উম্মতের মধ্যে ফিতনা সৃষ্টি করবে। এভাবে আরো কিছু আলামত বর্ণনা করলেন।
এখানে শয়তান বাতেল-জালেম-পথভ্রষ্টকারী অর্থে, শিং আঘাতকারী অনিষ্টকর ক্ষমতাসীন অর্থে এবং ভূমিকম্প দ্বীন-মিল্লাত-মানবতার জন্য ধ্বংসাত্মক অর্থে) -আল হাদিস(#বোখারী_শরীফ_২য়_খন্ড_১০৫০)
ড. তাহিরুল কাদেরীর লিখিত নবীদ্রোহিদের নিদর্শন বইটিতে এ প্রসঙ্গে আরো বহু হাদীস যথেষ্ট রেফারেন্স সহকারে উল্লেখ আছে।
উইকেপেডিয়ার সাহায্যে সৌদি আরবের ইতিহাস ঘাটতে গিয়ে দেখি আব্দুল ওহাব নজদী নামক শয়তানের শিং টা নজদেই অষ্টাদশ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণ করে এবং ওহাবী আন্দোলন নামের একটা আন্দোলন করে উম্মতে মুহাম্মাদির মধ্যে ফেতনার বীজ বপন করে। তার সৃষ্ট সেই ওহাবীরাই আজ সারা বিশ্বে মুসলমানদেরকে লাঞ্চিত বঞ্চিত জাতিতে পরিণত করতে অনন্য ভূমিকা রেখেছে। আব্দুল ওহাব নজদির ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় জাজিরাতুল আরব সৌদি আরবে পরিণত হয়।
হক বাতেল পার্থক্যকারী উপরিউক্ত হাদিস শরীফে বাতেলের ঠিকানাসহ বলে দেয়া আছে যা রিয়াদ নামধারী নজদ। নজদ থেকে নজদের দরিয়া এলাকা থেকেই বাতেল জালেম সালাফী মতবাদ অনুসারী ওহাবী মতবাদ উদ্ভব। সেখানেই তারা ১৭৪৪ সালে ব্যপক রক্তপাতের মাধ্যমে প্রথম ওহাবী রাষ্ট্র কায়েম করে এবং ১৮১৮ সালে উৎখাত হয়। ১৮২৪-এ পূণঃ দখল করে ১৮৯১-এ আবার বিতাড়িত হয়। আবার ১৯০২ সালে নজদে পূণঃ ওহাবী রাষ্ট্র করে সেখান থেকে আগ্রাসন শুরু করে ১৯২৫ থেকে ভয়ংকর গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের মাধ্যমে অন্যান্য অপশক্তির সহায়তায় আল আরব জবর দখল শুরু করে ১৯৩২-এ কেবলাভূমিকে গোত্রবাদী ওহাবীবাদী “সৌদী আরব” ঘোষণা করে, যা কলেমার চেতনা উৎখাত ইসলাম ও মুসলিম মিল্লাতের জন্য মৃত্যু সমতুল্য।
আব্দুল ওহাব নজদীর সেই উগ্রবাদী মতবাদকে তীরের ধনুক হিসেবে ব্যবহার করেছে আমেরিকা। আমেরিকার প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় তুর্কীদের থেকে মোহাম্মদ বিন সাউদরা শাসন ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে নিজেদের নাম দিয়ে সৌদি আরব প্রতিষ্ঠা করে।
১৯৪৫ সালের পরবর্তী সময়ে আমেরিকা মিলিয়ন বিলিয়ন টাকা নব্য প্রতিষ্ঠিত সৌদি আরবকে দিয়েছে ওহাবীবাদ তথা উগ্রবাদ প্রচার করার জন্য।
এব্যাপারে বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত নিউজ দেখুন-
#কালের_কন্ঠ-লিংক-
#দৈনিক_ইনকিলাব - লিংক
#News24- link,
এভাবে আরো বহু দেশীয় বিদেশী পত্রিকার নিউজ স্কিনশর্টসহ আমার টাইমলাইনে দেয়া আছে।
উইকেপেডিয়াতে আব্দুল ওহাব নজদীর সাথে নজদী শব্দটা বাদ দেয়া হয়েছে কেননা নজদ একটা অভিশপ্ত এলাকা তারাও জানে, নজদী শব্দ উল্লেখ করাতে মানুষ সহজেই শয়তানের শিং হিসেবে তাকে চিহ্নিত করতে পারছে বিধায় কৌশলে সে নজদ নামটাই মুচে দেয়ার চেষ্টা করছে কিন্তু সত্যকে কি চাপা দেয়া যায়??
সৌদি বাদশা অভিশপ্ত নজকে নাম পরিবর্তন করে "রিয়াদ" নামকরণ করেছে সেখানেই রাজধানী করেছে।
আমেরিকার ননির পুতুল সৌদি বাদশাদের উত্তরসূরী বর্তমান বাদশা সালমানের আমেরিকা ও ইজরাইলী প্রেমের কারণেই আজ আমরা হারিয়েছি আমাদের দ্বিতীয় কেবলা বাইতুল মুকাদ্দিস।
শুধু ইয়ামেন নয় পুরো বিশ্ব মুসলমানের চরম দূর্গতির পেছনে প্রধান ভূমিকা পালনকারী তাইয়্যিমার অনুসারী আব্দুল ওহাব নজদী ও তারই সহযোগী সৌদ পরিবার।
তাদেরই উত্তরসূরী ও অনুসারীরা আজ মুসলমানকে লাঞ্চিত, বঞ্চিত জাতিতে পরিণত করেছে।
উল্লেখ করা প্রয়োজন উইকেপিডিয়াতে আব্দুল ওহাব নজদীকে একজন ধর্মীয় পণ্ডিত হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, শিরিক, বেদাতের বিরুদ্ধে ও তাওহীদের প্রতিষ্ঠাতা লেখা হয়েছে যা চরম মিথ্যাচার। বরং এগুলো ছিল অন্যায়কে বৈধতা দেয়ার কালেমালেপন বা অপকৌশল। যা তাদের কার্যাবলী দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়।












